Tag Archives: ইচ্ছা কুমার

আয়নায় — ইচ্ছা কুমার

 

চোখভরা পরিপাটি বিকেলের অমিত আয়নায়
বিভোর খুঁটিয়ে দেখি নিজস্ব পোর্ট্রেইট
নাকের ডানপাশে নিবিষ্ট তিল আর হৃদয়ের কৃষ্ণবিবর

 

মুহূর্তেই মেশিন চালু অদ্ভুত সিনেমা শুরু
চরিত্র: কাক, বাদুর, চিল আর পাখিরা
লক্ষ শ্রমিকের মতো ধ্যানভাঙ্গা পাখিদের কুচকাওয়াজ
মসৃন আকাশে উড্ডীন প্রতিটি দুডানা স্বাধীন মৃত্যুহীন
দূরে আরো উঁচুতে সুদূরের দুঃসমুদ্রে ডানাওয়ালা সাবমেরিন
ড্রোন নাকি বিভ্রমের মতো কিছু রহস্যকাজল পাখির আনাগোনা

 

হঠাৎ ধূসর মেঘ ইখতিয়ারের ঘোড়া
অথবা মেঘেরা সব উড়ন্ত ট্যাঙ্ক এফ সিক্সটিন
নীল নীল রক্তপিচ্ছিল আকাশে বিচ্ছুরিত মেঘের মসলিন

 

একফালি দ্যুতি মোতি শুক্লাচাঁদ
আকাশের পবিত্র স্তন ভালোবাসার জেরুজালেম

 

তোমার শরীরের ঘ্রাণ পাই
তোমার প্রাণের অনলে জোয়ারে আমার রক্ত উত্তাপ
তুমি এসেছো কি এখন এখানে
দীর্ঘ দীর্ঘ অপেক্ষা তোমাকে দেখার
তোমার চোখের কুয়ায় আমাকে দেখার।

অ আ পাঠশালা: আলাদীনের চেরাগ–ইচ্ছা কুমার

 

ছোট ছোট দুটি পা ছোট দুই হাত
গালি খায় লাথি খায় করে মাথা হেট
তার দিকে চেয়ে রয় কত খালি পেট
তবু মুখ বুজে সয়ে যায় ভোর থেকে রাত

প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের গানের কথা মনে পড়েছে। এই গানের আরেকটি কলি হচ্ছে, ‘এ মহাভারত দাদা এ মহাভারত, মাছের মতোই আছে শিশুর আড়ৎ, জ্বালানীর মতো আছে শিশুর যোগান।’ মহাভারত খুঁজতে হবে না। ঢাকা শহরেই পাওয়া যাবে শতশত শিশুর আড়ৎ। শিশুরা রাস্তায় বস্তিতে থাকে। তারা কেউ কেউ পত্রিকার হকার, কেউ ফুল বেচে, কেউ বই, কেউ কলা-ডিম। কেউ ভিক্ষা করে। অনেকেই পরিচিত টোকাই হিসেবে। ঠিক কাকের মতোন মহানগরীর নোংরা পরিষ্কার করে। আবার প্রতুল:

শিশুমেলা শিশুদিন শিশু বৎসর
কত মধু মাখা বুলি ছাপা অক্ষর
আলো ঝলমলে সভা ভাবের জোয়ার
তবু ভবিষ্যতেরা খাটে ভূতের বেগার।

ঢাকা শহরে এখন ব্যাঙের ছাতার মতো ছড়িয়ে গেছে ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল। সে সব স্কুলে বেশ চড়া দামে আমরা আমাদের শিশুদের জন্য শিক্ষা কিনি। যার যত বেশি টাকা সে তার সন্তানকে তত দামী স্কুলে ভর্তি করাতে পারবে। স্কুলের নামগুলো শুনলেই মনে হয় আমরা বুঝি এখনও বৃটিশ উপনিবেশ। যেমন; স্কলাস্টিকা, কুইন এলিজাবেথ স্কুল, টাইনি টটস, মাস্টার মাইন্ড এ রকম হাজারো নাম। সবার রমরমা  ব্যবসা এবং একাধিক স্কুল ভবন-ক্যাম্পাস। শিক্ষা ব্যবসা করে অনেকেই আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ। অথচ সমাজের সব শ্রেণি-স্তরের শিশুদের শিক্ষার আয়োজন করতে অনেকেই নারাজ। অনেকে ভেক ধরে। যেমন, বিশ্ববেহায়া এরশাদ তার রাজত্বের সময় যে সব ‘পথকলি’ স্কুল খুলেছিল সেগুলি এখন নিশ্চিহ্ন। ঢাকা শহরের পথ ঘাটের সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা এখন বিভিন্ন এনজিও ব্যবসার হাতিয়ার। সারা দেশ থেকে প্রতিদিন হাজারো মানুষ নদী ভাঙ্গন, দুর্ভিক্ষ, বন্যা, মঙ্গা-খরা পিড়ীত হয়ে রাজধানী ঢাকায় জড়ো হয়। ঢাকায় থাকা খাওয়ার ব্যয় আকাশ সমান। অসহায় মানুষগুলো যারা আমাদের দেশের নাগরিক, যারা ভোটার তারা তাদের সন্তানদের শিক্ষার বন্দোবস্ত করতে অক্ষম।

অনেক দিন ধরে আমি অ আ পাঠশালার কথা শুনছিলাম। এ স্কুলের প্রধান সংগঠক জাকির হাসান হাদি ও টুটুল ভাইয়ের সঙ্গে আমার ভাল বন্ধুত্ব। একদিন পাঠশালায় হাজির হলাম। স্কুলের গেট দিয়ে ঢুকতেই দেখি শহীদ মিনার। এখানে লেখা আছে, ‘শিক্ষা পণ্য নয়- শিক্ষা আমাদের আধিকার।’ খুব বেশি বড় নয় স্কুলটা। লম্বা চওড়া বেশ কয়েকটি শ্রেণিকক্ষ। প্রত্যেকটি কক্ষ ছাত্র-ছাত্রীতে ঠাসা। হাদি ভাইয়ের কাছে জানলাম, এখানে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত দুই শিফটে ক্লাস চলে। চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণি এক শিফটে চলে। প্রতিদিন ক্লাস হয় সকাল ৮ থেকে ১২.৩০ পর্যন্ত। ছাত্র-ছাত্রী সবমিলিয়ে প্রায় ৭০০; যদিও পাঠশালায় ভর্তির জন্য আবেদন করেছে ৩০০০; প্রথম শ্রেণির একটি ক্লাসে ঢুকলাম। একজন শিক্ষিকা ক্লাস নিচ্ছিল। দুই একটা বাচ্চার সাথে আলাপ করলাম। ওদের লেখা খাতাপত্র নেড়েচেড়ে দেখলাম। আমার ভীষণ ভাল লাগল। আসলে স্কুলটা পরিচালিত হয় খুব আন্তরিকতার সাথে। যেহেতু এটা সম্পূর্ণ অবৈতনিক শিক্ষালয়, যে সমস্ত শিক্ষার্থীও শিক্ষা গ্রহণের আগ্রহ বেশি তারাই এখানে ঠিকে থাকে। তারপর হাদি ভাই আমাকে ৫ম শ্রেণির ক্লাসে ঢুকিয়ে দিয়ে বললেন বাচ্চাদের উদ্দেশ্যে কিছু বলতে। সামনে ওদের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা হবে। যদিও দেশজুড়ে আওয়ামী-বিএনপির ক্ষমতা ভাগাভাগির লড়াই চলছে। সবকিছু ছাড়িয়ে এই সব শিক্ষার্থীর চোখে নতুন স্বপ্ন ও আশা। তাদের মুখগুলো কত উজ্জ্বল। ওদের মধ্যে আমি নিজেকেই খুঁজে পাই। প্রতিটি মুখে যেন আমারই মুখচ্ছবি খচিত। আমার জাতি। ওদের সঙ্গ আমাকে শিহরিত করল। ক্লাসে ছাত্র-ছাত্রী মিলিয়ে ৪০ জন মত। আমি বাচ্চাদের সাথে অনেকে গল্প করলাম। শেষে ওদের গান শুনালাম। বাচ্চারা খুব খুশি। কিছুদিনের মধ্যে ওদের ফেয়রওয়েল হবে। এই স্কুল ছেড়ে সবাই হাইস্কুলে ভর্তি হবে। কত মজা! কতা আশা সবার মনে।

5

অ আ পাঠশালার একটি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলছে

অ আ পাঠশালা সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে দরিদ্র শিশুদের শিক্ষা সেবা দিচ্ছে ১৯৯১ সাল থেকে। মধ্য বাড্ডার পোস্ট অফিস গলির পাশেই স্কুলটির অবস্থান।  ১৯৯১ সালের ২১ ফেব্র“য়ারি ভাষা শহীদদের আত্মদানের চেতনায় সিক্ত হয়ে স্থানীয় কিছু যুবক মিলে প্রতিষ্ঠা করে অ আ পাঠশালা। সেই থেকে তিল তিল করে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছে। যেখানে কিছুই ছিল না ২২ বছর ধরে ধীরে ধীরে অনেক কিছুই হয়েছে। অনেক সীমাবদ্ধতা ও প্রতিবন্ধকাতার মধ্যেও এগিয়ে যাচ্ছে পাঠশালাটি। এখনও স্কুলের নির্মাণকাজ চলছে। কিন্তু পরম দুশ্চিন্তার বিষয় হচ্ছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) স্কুলের জায়গাটি একয়ার করেছে এবং পাঠশালাটি উচ্ছেদ করার জন্য আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০১৩ পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিয়েছে। রাজউকের কথা, স্কুলটি যেহেতু সরকারী জায়গায় তাই অবৈধ। আমরা জানি, হাইকোটের রায়ে অবৈধ হবার পরও কারওয়ান বাজারের পাশে হাতিরঝিলের উপর বিজিএমইআই ভবন কেমন চকচক করছে। যারা মানুষকে হত্যা করে, পুড়িয়ে মারে তাদের মালিকদের সংগঠনের অবৈধ স্থাপনাতে সরকার একটা আচঁড়ও দেয় না। হাইকোর্টকে কলা দেখায় এবং কানাকে হাইকোর্ট দেখায়। আর গার্মেন্টসের শ্রমিক, রিক্সাওয়ালা খেটে খাওয়া মেহনতী মানুষের সহায়হীন সন্তানেরা বিনা মূল্যে যেখানে একটু লেখা পড়ার সুযোগ পায় সরকার সেখানে সাহায্য না করে উল্টো পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট ও বুলডোজার নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। আমরা ঘৃণা করি এই অবাঞ্ছিত সরকার ও রাষ্ট্রকাঠামোকে। অ আ পাঠশালার মত আলোকবর্তিকা যে আলো জ্বেলেছে সেটা নিভানো যাবে না। পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ করতে গেলে বাংলায় বিপ্লবী বসন্ত শুরু হবে। অ আ পাঠশালা হবে বাংলাদেশের গেজি পার্ক।

দৈত্য – ইচ্ছা কুমার

অতঃপর দৈত্যদের দেশে আমাদের ভাঙ্গল ঘুম
নিশুতি প্রেতিনীর হাসি
আর অপসৃয়মান উল্কা সংগীত শুনি

অথবা নক্ষত্রখচিত তরঙ্গমালা মেঘ
এখানেই বনান্তিকে পৃথিবী প্রান্তে
সুন্দরী কাঠবাদামের আলোয়
সেই সাহসী ও পুরনো দৈত্যদের সাথে দেখা

রাজপথে কালোপিচে প্রগলভ পা
আর চোখভরা শ্রেণিহীন স্বপ্ন ও জাগরণ স্ফুলিঙ্গ রাশি
যে পৃথিবীতে শুধু প্রেম প্রেম প্রেম
ভালোবাসাবাসি

জনতার বুকে অতল ঐকতান
শ্রেণিসংগ্রামের মন্ত্রে খসে পড়া
শব্দ, বাক্য ভাষার থোক থোক স্তুপ

পাজরে পাজরে ঝংকার বিপ্লবের সুঘ্রাণ।

কমরেড – ইচ্ছা কুমার

জয় বাংলা এখন আমাদের শ্লোগান
সুশীল স্বর্গপুরীর গনগনে বর্ণমালা থেকে
ছিনিয়ে এনেছি এই যুথবদ্ধ অক্ষর

নিস্তব্ধতার নিয়তি ভেঙ্গে মহাজাগরণ এ কি কুদরতি
যেন এক জাদুকর এক অদৃশ্য হ্যামিলনের বাশুরিয়া
বাজায় বাঁশি বাজায় বাঁশি জয় বাংলা জয় বাংলা

সশস্ত্র রোদ্দুরের তলে অথবা কৃপাণ অমানিশার
ইস্পাতের মতো সুন্দর কমরেডের পবিত্র মুখ
ঝলমল করে ভালোবাসায় বিপ্লবে শ্রেণিহীন সমাজ স্বপনে।

আপোস না সংগ্রাম? সংগ্রাম সংগ্রাম – ইচ্ছা কুমার

গণঅভ্যুত্থান চলছে। শাহবাগ আজ হয়ে উঠেছে সারা বাংলার গণমানুষের তীর্থস্থান। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধ তথা মুক্তিযুদ্ধ বা গণবিপ্লব ঘটেছিল। সশস্ত্র যুদ্ধের অর্জন সেই বিপ্লব যে বেহাত হয়ে গেছে এ কথা বাংলাদেশের একটা শিশুও জানে। দুর্নীতির সংস্কৃতি কায়েম হয়েছে সমগ্র রাষ্ট্রযন্ত্রে। ঘুষ, লুটপাট, অনিয়ম, খুন-ধর্ষণ এখানে জঙ্গলের আইন প্রতিষ্ঠা করেছে। রক্তাপ্লুত মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ যে জন্মসনদ তথা সংবিধান পেয়েছিল সেখানে মূলনীতিগুলো ছিল সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদ। অথচ মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের ষড়যন্ত্রে এ সোনার বাংলা কালে কালে তালেবানি ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত হতে চলেছিল। মুক্তিযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বের মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম আজ রুখে দিয়েছে সাম্রাজ্যবাদের সেই ভয়ংকর কুমতি।

এ দেশের মানুষ এক দীর্ঘ ধারাবাহিক প্রতারণার শিকার। বাংলার সংস্কৃতি ঐক্যের সংস্কৃতি। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের নীলনকশা উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিশাল বাংলাকে দ্বিখণ্ডিত করা হয়। একটা হিন্দুর বাংলা, একটা মুসলমানের বাংলা। বাঙ্গালির হৃদয়খানিও যেন টুকরা হয়ে গেল। কারণ বাংলার মানুষ যুগে যুগে অসাম্প্রদায়িক চেতনা লালন করেছে। এখানে ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র ছিল সবার। হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খ্রিস্টান সবাই বাংলা মায়ের সন্তান। সবার অধিকার সমান। মওলানা ভাসানী বলেছিলেন,‘ধর্মের নামে কখনও দেশ হয় না। কৃষ্ণচূড়া ফুলের নাম কখনও ফাতেমাচূড়া হবে না।’ পুঁজিবাদী বাজারি সংস্কৃতি নারীকে শুধুমাত্র যৌনবস্তুতে পরিণত করেছে কারণ পুঁজিবাদী সংস্কৃতি অনিবার্যভাবে পুরুষতান্ত্রিক। পুরুষতন্ত্র নিপাত যাক। ধর্ষকরা নিপাত যাক। বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতা, সুখ-স্বাচ্ছন্দের দুশমন এই রাজাকার আর লুটেরা পুরুষতান্ত্রিক গোষ্ঠী বাংলার শিল্পচর্চা এবং বিশেষভাবে চলচ্চিত্র শিল্পকে একটা শেয়াল কুকুরের ভাগাড় বানিয়েছে।

বাংলাদেশের মানুষ প্রতিরোধে নেমেছে । আমরা শুধুমাত্র জনগণের শক্তিতে বিশ্বাস করি। জনগণের উপর ভরসা করি। জনগণই আমাদের নেতা। সকল প্রশংসা বিপ্লবী জনগণের।

১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩

পুনর্ভবা – ইচ্ছা কুমার

চেতনার রক্তপথ পেরিয়ে পৌঁছে গেছি
মাঘের পরিত্যক্ত পূর্ণিমায়
বিপ্লবী জনতার হৃৎপিণ্ডের কাছাকাছি
অভ্যুত্থানের অন্দরমহলে

ধুলামাটি পথে হাটাহাটি
দূরবর্তী এক প্রাচীন আনন্দে অবশ
ক্রমশ অবসন্ন জন্তুর মত আমি

স্বপ্ন নদীর পারে এসে দাড়ায় স্বপ্নকুমার

আমার হাত ধরে ধনুকের মত শুভ্র ঘাড় বাঁকিয়ে
আমার মুখের দিকে অবলীলায় থাকে তাকিয়ে
এই চাঁদ কাঞ্চন নদী

বিধ্বস্ত জোৎস্না আর মৃত্যু মুখোমুখি মাখামাখি
মৃত্যুর ঠান্ডা কপালে ঠোঁটে চুমু দিয়ে
অবমুক্ত হবে জোতিষ্ক ঝিকমিক বৈপ্লবিক হাতিয়ার

ঘোৎ ঘোৎ শুয়োর জীবন শেষে
সমতা আর পরিত্রাণের মায়ার পৃথিবীতে
ঢেপা নদী ঢেপা নদী প্রেমময়ী ঢেপা নদী
আমাকে নিয়ে চলো তোমার বুকে স্তনে
স্থান দাও বিষাক্ত লখিন্দরে।